মো: সাজ্জাদ হোসেন:
মাগুরা: নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে মাগুরায় পালিত হয়েছে ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। দিনব্যাপী আয়োজিত কর্মসূচিতে শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করেন জেলা প্রশাসন, শহীদ পরিবারের সদস্যসহ সর্বস্তরের মানুষ।
দিনটির সূচনা হয় মাগুরা সদর উপজেলার বরুনাতৈল গ্রামে শহীদ ছাত্রনেতা মেহেদী হাসান রাব্বি’র কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে। এ সময় শহীদ রাব্বি ও জেলার আরও ১০ শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মাগুরার জেলা প্রশাসক মোঃ অহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা, সিভিল সার্জন ডা. মোঃ শামীম কবির,গণপূর্ত নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাহিদ পারভেজসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা। এছাড়াও শহীদ রাব্বির পরিবারের সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বরুনাতৈল এলাকার শত শত মানুষ অংশ নেন।
পরে সকাল ১০টায় অডিটোরিয়ামের সামনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেয়ালিকা উদ্বোধন করা হয়। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা অডিটোরিয়ামে শহীদ পরিবারের সদস্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে শহীদদের স্বজনরা তাঁদের বেদনা, ত্যাগ ও আবেগঘন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তারা অবিলম্বে ‘জুলাই সনদ’ ঘোষণার দাবি জানান এবং শহীদদের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
জেলা প্রশাসক মোঃ অহিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, নির্বাহী প্রকৌশলীসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা, শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত আন্দোলনকারী এবং জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সকলের একটাই দাবি ছিল—শহীদদের আত্মত্যাগ যেন মূল্যায়িত হয় রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও ন্যায়বিচারের মাধ্যমে।


















