মোঃ সাইফুল্লাহ :
মাগুরার শ্রীপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে দু-গ্রুপের মধ্যে সংর্ঘষে আহত১০, বাড়িঘর ভাঙচুর -লুটপাট! দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার উপজেলার শ্রীপুর সদর ইউনিয়নের তখলপুর গ্রামের সামাজিক দলের মাতব্বর আশরাফুল বিশ্বাস ও মোস্তফা শেখ গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয়পক্ষের ১০ জন কমবেশি আহত ও আশরাফুল বিশ্বাস গ্রুপের প্রায় ২০ টি বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তখলপুর গ্রামের আশরাফুল বিশ্বাস ও মোস্তফা শেখ গ্রুপের মধ্যে পূর্ব শত্রুতা চলে আসছিল। এ পূর্ব শত্রুর জেরে শুক্রবার সকাল থেকে দু-গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সংঘর্ষে মোস্তফা শেখ গ্রুপের আইনাল মোল্যা (৩৫), শুকমান শেখ (৪৫), রানা শেখ (৩৫) ও নবুয়ত বিশ্বাস (৪৫) মারাত্মক আহত হয়। আহত আইনাল শেখ ও শুকমান শেখ শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং রানা শেখ ও নবুয়ত বিশ্বাস আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অপরদিকে আশরাফুল বিশ্বাস গ্রুপের খলিলুর রহমান (৪৫), নান্নু বিশ্বাস (৩৫), জামির বিশ্বাস (৪০), আনোয়ার বিশ্বাস (৬৫), উর্মি বেগম (৩৫) ও জেসমিন বেগম (৩৫) মারাত্মক আহত হয়। আহতরা বর্তমানে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও মাগুরা সদরের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। দুপুরের দিকে রানা শেখের মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে মোস্তফা শেখ গ্রুপের লোকজন আশরাফুল বিশ্বাস, আনোয়ার বিশ্বাস, নান্নু বিশ্বাস, ঠান্ডু বিশ্বাস, জামির বিশ্বাস, রেজাউল বিশ্বাস, সাহেব আলী, মনোয়ার বিশ্বাস, মজিবর বিশ্বাস, জাহিদুল বিশ্বাস, আরিফুল বিশ্বাস, আলিনুর বিশ্বাস, শিমুল বিশ্বাস, চয়ন বিশ্বাসের বাড়িঘর এবং সবুর বিশ্বাস ও খলিল বিশ্বাসের বাড়িঘর ও দোকানে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।
এ বিষয়ে শ্রীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ তাসমীম আলম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল। এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


















